পুজোর আগে তারকারা যখন রূপচর্চা নিয়ে ব্যস্ত, তখন অভিনেত্রী উষসী রায়ের কাছে বিষয়টি একেবারেই আলাদা। সারা বছর কাজের প্রয়োজনে ত্বকের যত্ন নিতে হয় তাঁকে। তাই পুজোর সময় নিয়মের বেড়াজাল ভেঙে নিজের মতো করে সময় কাটাতেই পছন্দ করেন তিনি। তার ওপর অক্টোবরে জন্মদিন—সব মিলিয়ে এই সময়টাকে নিজের যত্ন নেওয়ার বাড়তি চাপ হিসেবে দেখতে চান না অভিনেত্রী।
তবে সারা বছর ত্বক ভালো রাখতে বেশ কিছু কঠোর নিয়ম মেনে চলেন উষসী। তাঁর ত্বক অত্যন্ত সংবেদনশীল। তাই চর্মরোগ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনও নতুন প্রসাধনী বা ঘরোয়া টোটকা ব্যবহার করেন না তিনি।
অভিনেত্রীর কথায়, ত্বকের সমস্যা ছোটবেলা থেকেই। হঠাৎ মুখে র্যাশ বেরিয়ে যাওয়া, মশার কামড়ে ত্বক ফুলে যাওয়া কিংবা হাতে-পায়ে সহজেই কালশিটে পড়ার মতো সমস্যা রয়েছে তাঁর। সম্প্রতি একটি শুটিংয়ের সময় দুপুরের খাবারের পর আচমকাই তাঁর সারা মুখ ফুলে লাল হয়ে যায়। গলার ত্বকে অবশ্য কোনও প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। ওই ঘটনার সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি অভিনেত্রীর।
বাড়ি বদলানোর সময়ও এলাকার জল ও ধুলোর কারণে ত্বকের সমস্যা বেড়ে গিয়েছিল। এরপর সতর্কতা হিসেবে বাড়ির শাওয়ারে ফিল্টারও বসিয়েছেন তিনি।
চিকিৎসকের পরামর্শই ভরসা
ত্বকের সমস্যা আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় উষসী নিজের ইচ্ছেমতো কোনও প্রসাধনী ব্যবহার করেন না। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ফেসওয়াশ, ময়েশ্চারাইজার, সানস্ক্রিন এবং একটি বিশেষ লোশন ব্যবহার করেন। মেকআপের আগে ওই লোশন ব্যবহার করার পরামর্শও দিয়েছেন চিকিৎসক।
রোদে বের হলে ত্বকে দ্রুত ট্যান পড়ে যায় বলে বিভিন্ন ধরনের সানস্ক্রিন সঙ্গে রাখেন উষসী। পাউডার, জেল, লোশন কিংবা স্প্রে—প্রয়োজন অনুযায়ী সানস্ক্রিন ব্যবহার করেন তিনি।
বাইরে বেরিয়ে মুখে হাত না দেওয়ার অভ্যাসও তৈরি করেছেন অভিনেত্রী। তাঁর মতে, হাতের মাধ্যমে ধুলো, দূষিত কণা ও জীবাণু মুখের ত্বকে পৌঁছে যেতে পারে। পাশাপাশি মেকআপের পণ্য বাছাইয়ের ক্ষেত্রেও যথেষ্ট সতর্ক তিনি। নিজের মেকআপ ব্রাশ নিজেই ব্যবহার করেন এবং নিয়মিত পরিষ্কার রাখেন।
খাবারেও নিয়ম
ত্বক ভালো রাখার জন্য খাবারের দিকেও নজর দেন উষসী। ছোটবেলা থেকেই মায়ের শাসনে স্বাস্থ্যকর ও ঘরোয়া খাবারে অভ্যস্ত হয়েছেন তিনি। বাইরের খাবার ও ভাজাভুজি যতটা সম্ভব এড়িয়ে পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার চেষ্টা করেন। পাশাপাশি পর্যাপ্ত জল পান করাও তাঁর দৈনন্দিন অভ্যাসের অংশ।
চুলের যত্নেও নিয়ম
অভিনয়ের কারণে নিয়মিত চুলে মেকআপ, স্টাইলিং ও নানা ধরনের প্রসাধনী ব্যবহারের প্রভাব পড়ে। তাই চুলের যত্নেও নির্দিষ্ট রুটিন মেনে চলেন উষসী। সপ্তাহে অন্তত এক দিন গরম তেল দিয়ে মাথায় ম্যাসাজ করে শ্যাম্পু করেন। সাধারণত সপ্তাহে তিন দিন শ্যাম্পু করেন তিনি।
গ্রীষ্মকালে নিয়মিত সাঁতার কাটার সময় অবশ্য প্রায় প্রতিদিনই শ্যাম্পু করতে হয়েছে তাঁকে। চুলে সুইমিং পুলের ক্লোরিনের প্রভাব কমাতেই এমনটা করতেন অভিনেত্রী।
পার্লারে গেলেও খুব বেশি কিছু করান না উষসী। সাধারণত পেডিকিয়োর ও ম্যাসাজেই সীমাবদ্ধ থাকেন। একবার থ্রেডিং করিয়ে মুখজুড়ে বড় বড় ফোড়া হয়েছিল তাঁর। এরপর থেকে ভ্রু কিংবা ঠোঁটের উপরের অংশ—কোথাও থ্রেডিং করান না তিনি।
উষসীর মতে, তাঁর ত্বকে যত কম পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়, ততই ত্বক ভালো থাকে। তাই পুজোর সাজেও অতিরিক্ত রূপচর্চার বদলে পরিচিত ও চিকিৎসকের পরামর্শ দেওয়া পণ্যেই ভরসা রাখেন অভিনেত্রী।
তবে সারা বছর ত্বক ভালো রাখতে বেশ কিছু কঠোর নিয়ম মেনে চলেন উষসী। তাঁর ত্বক অত্যন্ত সংবেদনশীল। তাই চর্মরোগ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনও নতুন প্রসাধনী বা ঘরোয়া টোটকা ব্যবহার করেন না তিনি।
অভিনেত্রীর কথায়, ত্বকের সমস্যা ছোটবেলা থেকেই। হঠাৎ মুখে র্যাশ বেরিয়ে যাওয়া, মশার কামড়ে ত্বক ফুলে যাওয়া কিংবা হাতে-পায়ে সহজেই কালশিটে পড়ার মতো সমস্যা রয়েছে তাঁর। সম্প্রতি একটি শুটিংয়ের সময় দুপুরের খাবারের পর আচমকাই তাঁর সারা মুখ ফুলে লাল হয়ে যায়। গলার ত্বকে অবশ্য কোনও প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। ওই ঘটনার সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি অভিনেত্রীর।
বাড়ি বদলানোর সময়ও এলাকার জল ও ধুলোর কারণে ত্বকের সমস্যা বেড়ে গিয়েছিল। এরপর সতর্কতা হিসেবে বাড়ির শাওয়ারে ফিল্টারও বসিয়েছেন তিনি।
চিকিৎসকের পরামর্শই ভরসা
ত্বকের সমস্যা আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় উষসী নিজের ইচ্ছেমতো কোনও প্রসাধনী ব্যবহার করেন না। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ফেসওয়াশ, ময়েশ্চারাইজার, সানস্ক্রিন এবং একটি বিশেষ লোশন ব্যবহার করেন। মেকআপের আগে ওই লোশন ব্যবহার করার পরামর্শও দিয়েছেন চিকিৎসক।
রোদে বের হলে ত্বকে দ্রুত ট্যান পড়ে যায় বলে বিভিন্ন ধরনের সানস্ক্রিন সঙ্গে রাখেন উষসী। পাউডার, জেল, লোশন কিংবা স্প্রে—প্রয়োজন অনুযায়ী সানস্ক্রিন ব্যবহার করেন তিনি।
বাইরে বেরিয়ে মুখে হাত না দেওয়ার অভ্যাসও তৈরি করেছেন অভিনেত্রী। তাঁর মতে, হাতের মাধ্যমে ধুলো, দূষিত কণা ও জীবাণু মুখের ত্বকে পৌঁছে যেতে পারে। পাশাপাশি মেকআপের পণ্য বাছাইয়ের ক্ষেত্রেও যথেষ্ট সতর্ক তিনি। নিজের মেকআপ ব্রাশ নিজেই ব্যবহার করেন এবং নিয়মিত পরিষ্কার রাখেন।
খাবারেও নিয়ম
ত্বক ভালো রাখার জন্য খাবারের দিকেও নজর দেন উষসী। ছোটবেলা থেকেই মায়ের শাসনে স্বাস্থ্যকর ও ঘরোয়া খাবারে অভ্যস্ত হয়েছেন তিনি। বাইরের খাবার ও ভাজাভুজি যতটা সম্ভব এড়িয়ে পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার চেষ্টা করেন। পাশাপাশি পর্যাপ্ত জল পান করাও তাঁর দৈনন্দিন অভ্যাসের অংশ।
চুলের যত্নেও নিয়ম
অভিনয়ের কারণে নিয়মিত চুলে মেকআপ, স্টাইলিং ও নানা ধরনের প্রসাধনী ব্যবহারের প্রভাব পড়ে। তাই চুলের যত্নেও নির্দিষ্ট রুটিন মেনে চলেন উষসী। সপ্তাহে অন্তত এক দিন গরম তেল দিয়ে মাথায় ম্যাসাজ করে শ্যাম্পু করেন। সাধারণত সপ্তাহে তিন দিন শ্যাম্পু করেন তিনি।
গ্রীষ্মকালে নিয়মিত সাঁতার কাটার সময় অবশ্য প্রায় প্রতিদিনই শ্যাম্পু করতে হয়েছে তাঁকে। চুলে সুইমিং পুলের ক্লোরিনের প্রভাব কমাতেই এমনটা করতেন অভিনেত্রী।
পার্লারে গেলেও খুব বেশি কিছু করান না উষসী। সাধারণত পেডিকিয়োর ও ম্যাসাজেই সীমাবদ্ধ থাকেন। একবার থ্রেডিং করিয়ে মুখজুড়ে বড় বড় ফোড়া হয়েছিল তাঁর। এরপর থেকে ভ্রু কিংবা ঠোঁটের উপরের অংশ—কোথাও থ্রেডিং করান না তিনি।
উষসীর মতে, তাঁর ত্বকে যত কম পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়, ততই ত্বক ভালো থাকে। তাই পুজোর সাজেও অতিরিক্ত রূপচর্চার বদলে পরিচিত ও চিকিৎসকের পরামর্শ দেওয়া পণ্যেই ভরসা রাখেন অভিনেত্রী।
তুরজিম তানজিম